শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
যুবকরা মাদকাসক্ত হয়েছিল বিগত সরকারের আমলে সংবাদ প্রকাশের পর কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অসহায় তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন আসন না পেলেও কুড়িগ্রামকে অবহেলা করা হবে না: ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত কুড়িগ্রামে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বেপরোয়া বদলি বাণিজ্য কচাকাটায় ৯৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সত্তর বছরের পুরোনো গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের। কুড়িগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলা

বিপদসীমা ছাপিয়ে দুধকুমারের পানি, কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৬ Time View
Update Time : শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুধকুমার নদের ভুরুঙ্গামারী পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বিপদসীমা ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, ভুট্টা, চীনাবাদাম, পটল ও মরিচের বিস্তীর্ণ ক্ষেত। দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

সোমবার সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, দুধকুমার নদের ভুরুঙ্গামারী পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেখানে মৌসুমি বিপদসীমা ২৯ দশমিক ৬০ মিটার হলেও পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৮৩ মিটার।

এদিকে ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম সদর সেতু পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার মাত্র ৬ সেন্টিমিটার নিচে এবং ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। সবকটি নদীতেই পানির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করেছে। অনেক এলাকার কৃষিজমি পানিতে ডুবে যাওয়ায় পাট, ভুট্টা, চীনাবাদাম ও মরিচের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নতুন করে নদীভাঙনের ঝুঁকিও বেড়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “উজানে ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুধকুমার নদ ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তিস্তা ও ধরলার পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *