শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে যুবদল-ছাত্রদলের হামলা, পুলিশসহ আহত-২০ কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর তীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভয়াবহ ধস গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রৌমারীতে ভারতীয় গরুর নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কুড়িগ্রাম জেলা কমিটি ঘোষণা সোনাহাটে মাদকবিরোধী বিশাল মানববন্ধন, মাদক নির্মূলে শপথ নাগেশ্বরীতে এসআইকে ঘিরে বাদী-বিবাদীর পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. নূর মহল আখতার বানু উলিপুরে পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে সচেতনতামূলক কর্মসূচি কুড়িগ্রামে ৭ দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শঙ্কা লোডশেডিং নিয়ে জিটুজি’র বিবৃতি

বিপদসীমা ছাপিয়ে দুধকুমারের পানি, কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

স্টাফ রিপোর্টার / ২৬ Time View
Update Time : শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুধকুমার নদের ভুরুঙ্গামারী পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বিপদসীমা ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, ভুট্টা, চীনাবাদাম, পটল ও মরিচের বিস্তীর্ণ ক্ষেত। দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

সোমবার সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, দুধকুমার নদের ভুরুঙ্গামারী পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেখানে মৌসুমি বিপদসীমা ২৯ দশমিক ৬০ মিটার হলেও পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৮৩ মিটার।

এদিকে ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম সদর সেতু পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার মাত্র ৬ সেন্টিমিটার নিচে এবং ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। সবকটি নদীতেই পানির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করেছে। অনেক এলাকার কৃষিজমি পানিতে ডুবে যাওয়ায় পাট, ভুট্টা, চীনাবাদাম ও মরিচের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নতুন করে নদীভাঙনের ঝুঁকিও বেড়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “উজানে ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুধকুমার নদ ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তিস্তা ও ধরলার পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *