রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মলম পার্টির খপ্পরে অটোচালক, অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে উদ্ধার যুবকরা মাদকাসক্ত হয়েছিল বিগত সরকারের আমলে সংবাদ প্রকাশের পর কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অসহায় তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন আসন না পেলেও কুড়িগ্রামকে অবহেলা করা হবে না: ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত কুড়িগ্রামে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বেপরোয়া বদলি বাণিজ্য কচাকাটায় ৯৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সত্তর বছরের পুরোনো গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের।

কুড়িগ্রামে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবি স্থানীয়দের

স্টাফ রিপোর্টার / ২৭ Time View
Update Time : রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর নদীশাসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

তাদের অভিযোগ, প্রতিবছর নদীভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হলেও ভাঙন ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদি কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের ফটকের সামনে বড়ভিটা ইউনিয়নের এক নম্বর চর মেকলীর বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ নিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো মানববন্ধন করছেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সমাজসেবক আরিফুল ইসলাম আরিফ, বড়ভিটা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য লাইলী বেগম, ইলিয়াছ হোসেন ও সমাজসেবক খয়ের উদ্দিনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

বক্তারা বলেন, প্রতি বছর ধরলা নদীর ভাঙনে নদী পাড়ের মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এতে অনেক পরিবারকে বারবার ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে হচ্ছে। এবারও ফুলবাড়ীর চর মেকলীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন তীব্র হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। শুধু ভাঙনের সময় জিওব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে নদী ঠেকানোর উদ্যোগ না নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও নদীশাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হবে। এতে নদীপাড়ের মানুষের ঘরবাড়ি ও জমি হারানোর পাশাপাশি স্থানীয় সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হুমকির মুখে পড়বে বলে দা‌বি করেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *