বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সত্তর বছরের পুরোনো গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের। কুড়িগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলা কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারে গৃহপালিত পশু বিতরণ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মেরামত ও সংস্কারে বরাদ্দ ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা কুড়িগ্রামে ১ অক্টোবর শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও অভিষেক বাড়িতে ডিবির অভিযান, ৭৪ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার ধরলার ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে জগমনের চর, মসজিদ–মাদরাসা–বিদ্যালয় রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবি কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রাষ্ট্রালাপ পাঠচক্র’-এর ৯ম আসর অনুষ্ঠিত

সোনাহাট বন্দরে পোল্ট্রি দোকানের আড়ালে ইয়াবা বিক্রি, গেন্দি গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম / ৪০ Time View
Update Time : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকায় পোল্ট্রি দোকানের আড়ালে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে মর্জিনা আক্তার ওরফে গেন্দি (৪০) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ১০৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৬ হাজার ২৯০ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৬ হাজার ২৯০ টাকা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ৩টার দিকে সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া মর্জিনা আক্তার উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের বানুরকুঠি এলাকার আতোয়ার হোসেনের মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পোল্ট্রি দোকানের আড়ালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ট্রাকচালক ও পরিবহন শ্রমিকদের কাছে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা হলেও তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।

স্থানীয় সচেতন জনগণের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে তার কাছ থেকে ১০৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অভিযুক্তকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *