বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সত্তর বছরের পুরোনো গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের। কুড়িগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলা কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারে গৃহপালিত পশু বিতরণ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মেরামত ও সংস্কারে বরাদ্দ ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা কুড়িগ্রামে ১ অক্টোবর শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও অভিষেক বাড়িতে ডিবির অভিযান, ৭৪ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার ধরলার ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে জগমনের চর, মসজিদ–মাদরাসা–বিদ্যালয় রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবি কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রাষ্ট্রালাপ পাঠচক্র’-এর ৯ম আসর অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে পরকীয়ার সম্পর্ক বাঁচাতে স্বামীকে খুন, আদালতের রায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update Time : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

পরকীয়ার সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো স্বামীকে দাওয়াতের কথা বলে কৌশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করার ঘটনায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামের গৃহবধূ নুর নাহার, তার পরকীয়া প্রেমিক এবং বাবা-মাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামের নুর নাহার, তার পরকীয়া প্রেমিক গফুর, বাবা নুর মোহাম্মদ ও মা ছকিনা বেগম।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নুর নাহার তার স্বামী কেতাব উদ্দিনকে দাওয়াত খাওয়ানোর কথা বলে কৌশলে পাশের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই ওঁৎপেতে থাকা প্রেমিক গফুর এবং নুর নাহারের বাবা-মায়ের সহযোগিতায় কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। পরে হত্যার আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।
ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহত কেতাব উদ্দিনের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে বিচারিক কার্যক্রম, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট তারিকুল রহমান। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবি অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তারিকুর রহমান তারিক বলেন, “দীর্ঘ ২০ বছর মামলার রায় কার্যকর করা হয়েছে। এ রায়ের মধ্যদিয়ে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া দৃষ্টান্তমুলক এই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়ায় সমাজে এ ধরণের অপরাধ কমে আসবে। যা সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *