মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তরুণ নেতা ও প্রকৌশলী ওয়ায়েস কারনীর নামও আলোচনায় এসেছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে জেলা যুবদলের নেতৃত্বে দেখতে আগ্রহী বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ওয়ায়েস কারনী সাম্প্রতিক সময়ে কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়েছেন। আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি সাংগঠনিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতেও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।
কুড়িগ্রামের রাজনীতিতে তার দৃশ্যমান সক্রিয়তা বাড়ে সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে। কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি জনসভায় বক্তব্য দেন। নির্বাচনী বক্তব্যে নদীভাঙন প্রতিরোধ, সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানসহ কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
ওয়ায়েস কারনীর রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে পারিবারিক পরিচয়ও যুক্ত। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের ছেলে। সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ঘোষিত জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্যসচিব হন।
তবে ওয়ায়েস কারনীর আলোচনায় আসার পেছনে শুধু পারিবারিক পরিচয় নয়, তার ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা ও সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। তাদের ভাষ্য, নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে যুবদলের সাংগঠনিক নেতৃত্বে তাকে বিবেচনা করা যেতে পারে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, জেলা যুবদলের নতুন কমিটি গঠন নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে ওয়ায়েস কারনীর নাম আলোচনায় থাকলেও তিনি কোন পদে আসছেন, কিংবা আদৌ কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাচ্ছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
কুড়িগ্রামের বিএনপির রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের আলোচনার মধ্যেই ওয়ায়েস কারনীর নাম সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন নজর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত এবং জেলা যুবদলের নতুন কমিটির দিকে।