বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সত্তর বছরের পুরোনো গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের। কুড়িগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলা কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারে গৃহপালিত পশু বিতরণ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মেরামত ও সংস্কারে বরাদ্দ ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা কুড়িগ্রামে ১ অক্টোবর শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও অভিষেক বাড়িতে ডিবির অভিযান, ৭৪ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার ধরলার ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে জগমনের চর, মসজিদ–মাদরাসা–বিদ্যালয় রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবি কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রাষ্ট্রালাপ পাঠচক্র’-এর ৯ম আসর অনুষ্ঠিত

অর্থসংকটে অনিশ্চিত ছিল ভর্তি, সহায়তার হাত বাড়াল ছাত্রদল

স্টাফ রিপোর্টার / ২৪ Time View
Update Time : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

অসুস্থ বাবার সামর্থ্য নেই ভর্তি ফি দেওয়ার। ফলে মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে ওই শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদল। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তার ভর্তির প্রয়োজনীয় খরচ বহন করা হয়েছে।
ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায়। তার বাবা অসুস্থ ও অসচ্ছল। সন্তানের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও মেধা থাকলেও ভর্তি বাবদ প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা তার পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।
বিষয়টি জানতে পেরে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের নেতারা শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে দাঁড়ান। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানার উদ্যোগে তার ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। এতে একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় ওই শিক্ষার্থীর।
ভর্তির সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীটি কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, এই সহায়তা তার সেই দুশ্চিন্তা দূর করেছে।
কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা বলেন, “শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি ছাত্রদলের মূলনীতি। কোনো অসহায় বাবার সন্তান অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারবে না—এটি হতে পারে না। আমরা ছাত্রদল অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। ইনশা আল্লাহ, আগামীতেও শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদল সবসময় থাকবে।”
একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা যখন কেবল অর্থের অভাবে থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন তার পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগটি স্থানীয়ভাবে মানবিক সহায়তার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। শিক্ষার্থীর পরিবারও আশা করছে, আর্থিক সংকট পেরিয়ে সে একদিন নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *