বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
যুবকরা মাদকাসক্ত হয়েছিল বিগত সরকারের আমলে সংবাদ প্রকাশের পর কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অসহায় তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন আসন না পেলেও কুড়িগ্রামকে অবহেলা করা হবে না: ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত কুড়িগ্রামে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বেপরোয়া বদলি বাণিজ্য কচাকাটায় ৯৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সত্তর বছরের পুরোনো গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের। কুড়িগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলা

চর কুড়িগ্রামে মাদকসেবীর ছুরিকাঘাতে ইমাম রোস্তম আলী তোতা নিহত

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৭ Time View
Update Time : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রাম পৌরসভার হরিকেশ মোড়ে ছুরিকাঘাতে ইমাম রোস্তম আলী খোকা তোতা (৮০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. জলিল (৪০) নামে এক মাদকসেবীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তে নেওয়াকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে স্বজন ও এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের হট্টগোলের ঘটনাও ঘটেছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হরিকেশ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রোস্তম আলী হরিকেশ কানিপাড়া এলাকার মৃত মো. আলী মুন্সির ছেলে। আটক জলিল পার্শ্ববর্তী চর হরিকেশ এলাকার হাসান আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জলিল মাদক সেবন করেন। তাকে মাদক থেকে বিরত থাকা ও চুল বড় না রাখার জন্য দীর্ঘদিন ধরে উপদেশ দিয়ে আসছিলেন রোস্তম আলী। ঘটনার সময় রোস্তম আলী মোড়ে চা পান করছিলেন। এ সময় জলিল রিকশা থেকে ছুরি এনে তার পেটে আঘাত করেন বলে স্থানীয়রা জানান।
পরে ছুরি হাতে জলিলকে স্থানীয়রা আটক করে বেঁধে রাখেন এবং একপর্যায়ে মারধর করেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। গুরুতর আহত রোস্তম আলীকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে লাশ মর্গে নেওয়ার পর ময়নাতদন্ত না করার দাবিতে স্বজন ও এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে লাশ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ও মর্গের তালা ভাঙার চেষ্টা করা হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিমতানুর রহমান পিপিএম, সদর থানার ওসি মো. কামাল হোসেনসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে আইনগত প্রক্রিয়ায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা জলিলকে আটক করার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *